Time ঈদে সড়কপথে চাঁদাবাজি ‘নিয়ন্ত্রণের’ ঘোষণা মন্ত্রীর | বাংলা কন্ঠ

ঈদে সড়কপথে চাঁদাবাজি ‘নিয়ন্ত্রণের’ ঘোষণা মন্ত্রীর

obaidul-kader-

ঈদে সড়কপথে চাঁদাবাজি বন্ধ করা না গেলেও তা ‘নিয়ন্ত্রণের’ ঘোষণা দিয়েছেন যোগাযোগ মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, “ঈদে চাঁদাবাজি হবে না- এটা বলতে পারি না। তবে তা নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।”

সরকারি দলের নেতা-কর্মীরাই এই চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে- সাংবাদিকরা এ বিষয়টি মন্ত্রীকে অবহিত করলে তিনি বলেন, “তাদেরকেও [ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মী] এ বিষয়ে বলা হবে। তবে চাঁদাবাজি বন্ধে ম্যাজিক্যাল ট্রান্সফরমেশন আনব তা হবে না। আশা রাখেন, দৃঢ়তা রাখেন, মনোবল রাখেন…।”

ঈদে গণপরিবহনে ভাড়া যেন না বাড়ে এবং সড়ক পথে যাতায়াত নির্বিঘœ করতে সংশ্লিষ্টদের নিয়ে আগামী ৯ অগাস্ট রেল ভবনে সভা করা হবে বলে জানান ওবায়দুল কাদের।

ঈদের আগে ‘কৃত্রিম যানজট’ সৃষ্টি না করতে সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানিয়ে কাদের বলেন, যানজন যেন সৃষ্টি না হয় সেজন্য ব্যবস্থা নিতে হাইওয়ে পুলিশ, স্থানীয় প্রশাসন এবং পুলিশ প্রশাসনকে বলা হয়েছে।

যোগাযোগ মন্ত্রী জানান, ঈদে বিআরটিসি ভাড়া বাড়াবে না। ঈদের সাত দিন আগে থেকে ১৩০টি গাড়ি বিআরটিসির বহরে যুক্ত হবে।

“গণপরিবহনে ঈদের আগে যেন ভাড়া না বাড়ায় সেজন্য পরিবহন মালিক সমিতি ও পরিবহন শ্রমিক সমিতিকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।”

মন্ত্রী বলেন, সড়ক নেটওয়ার্কে সুষ্ঠু যান চলাচল নিশ্চিতে মন্ত্রণালয় এবং সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের দুই জন করে চার কর্মকর্তার সমন্বয়ে আটটি তদারকি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এসব টিম সরেজমিন পরিদর্শন করে প্রতিবেদন দেবে।

এছাড়া মন্ত্রণালয় ও সওজ অধিদপ্তরে সার্বক্ষণিক মনিটরিং সেল খোলা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের ফোন নম্বর ৭১৬৫১৯০ এবং সওজ’র ফোন নম্বর ৯৫৫১৩৪৩ ও ৯৫৫৯৬৫৯-এ কল করে জনসাধারণ এ সংক্রান্ত তথ্য জানাতে পারবে।

এই সেল পরিদর্শন দলের সুপারিশ, প্রিণ্ট ও ইলেকট্রনিক সংবাদ মাধ্যমে পরিবেশিত প্রতিবেদন ধারণ, মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রাপ্ত মতামত সংশ্লিষ্ট সড়ক বিভাগ ও প্রকল্প পরিচালকের কাছে পাঠাবে।

সড়কে কাঁচাবাজার বসা এবং নির্মাণ সামগ্রী রাখায় অনেক সময় যানজটের সৃষ্টি হয় উল্লেখ করে যোগাযোগ মন্ত্রী বলেন, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাধ্যমে স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন এবং স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহকে সম্পৃক্ত করার জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগকে অনুরোধ করা হয়েছে। বাজার কমিটিকেও এ ব্যাপারে অনুরোধ করা হবে।

সড়ক ও জনপথ বিভাগের মহাসড়কের ৯০ শতাংশ এবং আঞ্চলিক মহাসড়কের ৮০ শতাংশ সড়ক আগের চেয়ে ভালো আছে বলে দাবি করে ওবায়দুল কাদের বলেন, অবশিষ্ট সড়কের রক্ষণাবেক্ষণ কাজ চলছে। এছাড়া বর্ষা মৌসুমের পর সড়কের প্রয়োজনীয় কার্পেটিং, রাস্তা প্রশস্তকরণের জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

দাউদকান্দি-চট্টগ্রাম এবং জয়দেবপুর-ময়মনসিংহ সড়ক চার লেনে উন্নীতকরণের কাজ চলছে এবং মেঘনা ও মেঘনা-গোমতী সেতুর রক্ষণাবেক্ষণের কাজ আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

এছাড়া ঢাকা-চট্টগ্রাম এবং ঢাকা-সিলেট সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে তিনটি বিকল্প রুট চালু আছে বলেও উল্লেখ করেন মন্ত্রী।

Share on Facebook

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>