ভোলায় কলেজ ছাত্র নির্যাতনের দায়ে ইউপি সদস্যকে দল থেকে বহিস্কার
ভোলার লালমোহনে কলেজ ছাত্রকে প্রকাশ্যে নির্যাতনের নায়ক আঃ সহিদকে দল থেকে বহিস্কারসহ গ্রেফতারের জন্য সময়সীমা বেধে দিলেন ভোলা-৩ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন। ১৮ আগষ্ট শনিবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানা যায়, রমাগঞ্জ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সভাপতি আঃ শহিদ মেম্বারকে দল থেকে বহিস্কার করা হয়। এছাড়াও তাকে গ্রেফতারে পুলিশকে সময়সীমা বেধে দেয়া হয়েছে। এর আগে শুক্রবার রাতে এমপি শাওন চরফ্যাশন হাসপাতালে কলেজ ছাত্র আরিফকে দেখতে যান এবং তার চিকিৎসার খোজ খবর নেন ও উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনে ঢাকায় নেওয়ার কথা বলেন। এসময় এমপি শাওন বলেন, অপরাধী যে দলেরই হোক আমার কাছে কোন মা নেই। এ ঘটনার আইনি দৃষ্টান্ত মুলক শস্তি পাবে অপরাধীরা। এসময় উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি অধ্য একেএম নজরুল ইসলাম, আওয়ামীলীগ সদস্য সফিকুল ইসলাম বাদল, যুবলীগ আহবায়ক দিদারুল ইসলাম অরুন এমপির সাথে ছিলেন।
উল্লেখ্য, উপজেলার রমাগঞ্জ ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে ও চরফ্যাশন মহাবিদ্যালয়ের এইচ, এস, সি প্রথম বর্ষের ছাত্র মাজহারুল ইসলাম আরিফকে রমাগঞ্জ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য আবদুস সহিদের নেতৃত্বে ইব্রাহিম,ফয়সাল, আলমসহ ১০/১৫ জনের একদল ক্যাডার বাহিনী প্রকাশ্য বাজারের মধ্যে আরিফকে মারধর শুরু করে। মারধরের একপর্যায়ে ইউপি সদস্য শহিদের লাঠির আঘাতে আরিফের ডান পা ভেঙ্গে যায়। এ ধরনের লোমহর্ষক নির্যাতনের ঘটনা প্রথমে স্থানীয়রা বুঝে উঠতে না পারলেও পরবর্তীতে আরিফকে বাচাতে এগিয়ে আসে। ঘটনার খবর পেয়ে আরিফের মা আরিফকে উদ্ধার করে লালমোহন হাসপাতালে আনতে চাইলে সেখানেও বাধা দেয় মেম্বার সহিদ ও তার ক্যাডার বাহিনী। পরে আরিফকে চরফ্যাশন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
অচিন্ত্য মজুমদার ভোলা
Share on Facebook































