Time ভোলায় পুলিশী নির্যাতনে প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের জন্য ছাত্র-শিক্ষকদের ক্লাস বর্জন | বাংলা কন্ঠ

ভোলায় পুলিশী নির্যাতনে প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের জন্য ছাত্র-শিক্ষকদের ক্লাস বর্জন

Bhola school pic

রোববার ভোলার গজনবী স্টেডিয়ামে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে পুলিশ-ছাত্র সংঘর্ষের ঘটনায় ৬ শিক্ষককে পুলিশী নির্যাতনের প্রতিবাদে লাগাতার আন্দোলনের ডাক দিয়েছে ভোলা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ছাত্ররা। গত রোববার হামলার শিকার আহত ওই ৬ শিক্ষককে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তিকরা হয়েছে। এরা হলেন, মোঃ আল-আমিন, রুবেল কান্তি বিশ্বাস, আবুল কালাম, জহরুল ইসলাম, মিঠুন বিশ্বাস, নাজমুল ও তাজুল ইসলাম। শিক্ষকদের উপর হামলার প্রতিবাদে ১০ সেপ্টেম্বর সোমবার কর্মসূচীর অংশ হিসেবে বিুদ্ধ ছাত্ররা স্কুল ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেছে এবং স্কুলের ছাত্র-শিক্ষকরা কাস বর্জন করেছে। এছাড়া দোষীদের বিচারের দাবিতে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য তোফায়েল আহাম্মেদের কাছে স্বারকলিপি দিয়েছেন।

স্কুলের প্রধান শিক্ষক জাকিরুল হক জানিয়েছেন, আন্দোলনের অংশ হিসেবে আগামীকাল মঙ্গলবার স্কুলের ছাত্র-শিক্ষকগন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন, প্রতিবাদ সভা করবেন। এছাড়াও আগামী বুধবার অবিভাবক সমাবেশ ডাকা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, ভোলা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের সাথে একাত্তোতা প্রকাশ করে ভোলা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ও এ কর্মসূচীতে অংশ গ্রহণ করবে।

উল্লেখ্য, রোববার ভোলার গজনবী স্টেডিয়ামে ভোলা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রদের সঙ্গে লালমোহনের ডাওরী বাজার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের গ্রীষ্মকালীন মাধ্যমিক স্কুল ফুটবল টুনামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়। খেলায় ডাওরী বাজার জয়লাভ করে। খেলা শেষে উভয় গ্রুপের খেলোয়াড়রা শহরের নতুন বাজারের ডাকঘর এলাকায় অবস্থান করার সময় উভয়ের দলের মধ্যে কথা কাটাকাটির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভোলা সরকারি বালক বিদ্যালয়ের এক শিককে আটক করে পুলিশ। এতে ছাত্ররা বিুদ্ধ হয়ে একটি বাস ভাঙচুর করে। একপর্যায়ে পুলিশ ছাত্রদের বাধা দেয়। এ সময় পুলিশ এক শিকসহ ৩ ছাত্রকে আটক করে। এতে বিুদ্ধ ছাত্ররা পুলিশকে লক্ষ করে ইট-পাটকেল নিপে করতে থাকলে পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে ছাত্ররা স্কুল ক্যাপাসে অবস্থান কললে পুলিশ ক্যাম্পাসে ঢুকে ছাত্র ও শিকদের ওপর এলোপাথাড়ি লাঠিচার্জ করে। এতে অন্তত অর্ধশতাধিক শিক্ষক-ছাত্র আহত হয়।

ভোলা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোহরাব আলি দাবি করেছেন, ছাত্রদের হামলায় অন্তত ৭ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে। তিনি আরো বলেন, শিক্ষকসহ আটক সকলকে ওই দিন রাতেই ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

অচিন্ত্য মজুমদার, ভোলা

Share on Facebook

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>