Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!
 #  বিশেষ সুবিধায় খেলাপি ঋণ নবায়ন আবেদনের সময় বাড়ছে #  অনুমতি না পাওয়ায় ভোলায় আজকের সমাবেশ স্থগিত #  ভোলায় নিহত ৪, পরিস্থিতি এখনো থমথমে #  প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আন্দোলন : কঠোর অবস্থানে মন্ত্রণালয় #  ভোলার ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন ও পুলিশের বক্তব্য #  ঢাবি অ্যালামনাই এসোসিয়েশনে কেন যেতেন জি কে শামীম #  পদ হারালেন ওমর ফারুক #  ডিআইজি প্রিজন বজলুর রশীদ কারাগারে #  গণভবনে প্রবেশের সুযোগ পাননি যুবলীগের শীর্ষ ৪ নেতা #  ভাঙ্গা ঘরে চাদের আলো মাহেন্দ্র চালকের মেয়ে ‘কনা’ পেয়েছেন মেডিকেলে ভর্তির সুযোগ

একা হয়ে গেলেন মৌসুমী

mousumi

বাংলা কন্ঠ ডেস্ক:  বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন সামনে রেখে বেশ আয়োজন করেই প্রচারণায় নেমে ছিলেন মৌসুমী। কিন্তু মনোয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ পর্যায়ে এসে  একা হয়ে গেলেন তিনি।  এবার মিশা-জায়েদ ও মৌসুমী-তায়েব প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কথা ছিলো। কিন্তু হঠাৎ করেই ভেস্তে গেছে মৌসুমী-তায়েব প্যানেল। এরপরও মৌসুমী ও ডিএ তায়েব স্বতন্ত্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কথা থাকলে, শেষ মুহূর্তে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন ডিএ তায়েব! কারণ জানতে ডিএ তায়েবকে একাধিকবার ফোন দেয়া হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

এক এক করে প্যানেলের সবাই সরে দাড়ালেও ‘একলা চলো’ নীতিতে অটল থেকে নির্বাচন করছেন মৌসুমী। তিনি আজ মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। গতকাল থেকে প্যানেলের প্রার্থীদের ফোনে পাচ্ছেন না মৌসুমী। তাদের কেউ কেউ নির্বাচন করবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন।

মনোনয়নপত্র জমা দিতে এসে মৌসুমী বলেন, ‘অনেক সদস্য মিলে একটি চমক জাগানিয়া প্যানেল তৈরি করেছিলাম আমরা। কিন্তু আড়ালে থেকে একটি মহল বাধার দেয়াল তৈরি করেছে। সবাইকে নির্বাচন না করতে প্রভাবিত করেছে। একটা সময় দেখলাম নির্বাচনে আমি একা। কেউ নেই আমার পাশে। মজার ব্যাপার হলো, যারা আমাকে সভাপতি পদে নির্বাচন করতে পরামর্শ ও সাহস দিয়েছিলেন তারাও আমার সঙ্গে নির্বাচনে নেই। আমি বুঝতে পারছি না, শিল্পী সমিতির নির্বাচনে জিতে কী এমন হবে যে উপর মহলকে এভাবে কাজে লাগাতে হবে? আমার সঙ্গে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ডিএ তায়েবের নির্বাচন করার কথা। তাকেও নানাভাবে বাধা দেয়া হচ্ছে। আমি একটি সুন্দর নেতৃত্ব চাই। এজন্য সরে যাইনি। একা একা হলেও নির্বাচনে থাকবো। আমাকে শিল্পীরা সমর্থন দিয়েছেন, এটাই আমার প্রেরণা। শিল্পীদের সমিতিতে বাইরের এই প্রভাব কাটাতে শিল্পীরা এক হয়ে আমাকে নির্বাচিত করবেন বলে বিশ্বাস করি।’

প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করছেন ইলিয়াস কাঞ্চন। এবার নির্বাচনে মোট ৪৪৯ জন ভোট দিতে পারবেন। মৌসুমী-তায়েব প্যানেল থেকে রিয়াজ, ফেরদৌস, পূর্ণিমা, পপিসহ অনেকেরই নির্বাচন করার কথা ছিলো। শেষ মুহূর্তে সরে দাঁড়িয়েছে তারা।

মিশা-জায়েদ প্যানেল বাদে মোট পাঁচটি পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এরা হলেন-সভাপতি পদে মৌসুমী, সহ-সভাপতি পদে নানা শাহ, সাধারণ সম্পাদক পদে ইলিয়াস কোবরা, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সাঙ্কু পাঞ্চা, কোষাধ্যক্ষ সাইফুল ইসলাম।

চলতি মাসের ২৫ তারিখ এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

Print Friendly, PDF & Email