Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!
 #  বিশেষ সুবিধায় খেলাপি ঋণ নবায়ন আবেদনের সময় বাড়ছে #  অনুমতি না পাওয়ায় ভোলায় আজকের সমাবেশ স্থগিত #  ভোলায় নিহত ৪, পরিস্থিতি এখনো থমথমে #  প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আন্দোলন : কঠোর অবস্থানে মন্ত্রণালয় #  ভোলার ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন ও পুলিশের বক্তব্য #  ঢাবি অ্যালামনাই এসোসিয়েশনে কেন যেতেন জি কে শামীম #  পদ হারালেন ওমর ফারুক #  ডিআইজি প্রিজন বজলুর রশীদ কারাগারে #  গণভবনে প্রবেশের সুযোগ পাননি যুবলীগের শীর্ষ ৪ নেতা #  ভাঙ্গা ঘরে চাদের আলো মাহেন্দ্র চালকের মেয়ে ‘কনা’ পেয়েছেন মেডিকেলে ভর্তির সুযোগ

কেন এখনো বিসিবির পদে লোকমান

193658_keno

বাংলা কন্ঠ ডেস্কঃ লোকমান হোসেন ভূঁইয়া মোহামেডান ক্লাবের ডাইরেক্টর ইনচার্জ হিসেবেই পরিচিত। তবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের হাত ধরে জায়গা করে নেন বিসিবিতে। বনে জান প্রভাবশালী পরিচালকও। দায়িত্ব পান বিভিন্ন কমিটিতে। সবশেষ বিসিবি নির্বাচনের পর লোকমানকে দায়িত্ব দেয়া হয় ফ্যাসিলিটিজ বিভাগের প্রধান হিসেবে। তবে ফুটবল-ক্রিকেট সব ছাড়িয়ে তিনি এখন ‘ক্যাসিনো লোকমান’ নামেই পরিচিত। মোহামেডানের ক্যাসিনো কেলেঙ্কারির অন্যতম হোতা হিসেবে তাকে এরই মধ্যে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি জেল হাজতে রয়েছেন।

তিনি স্বীকার করেছেন বিদেশে কোটি কোটি টাকা পাচারের কথা। তবে কেন এমন এখনজন এখনো বিসিবির পদে রয়ে গেছেন! ক্যাসিনো কেলেঙ্কারির অন্যতম হোতা ইসমাইল হোসেন সম্রাট, খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া, জি কে শামীম, সেলিম প্রধানদের নিজ নিজ পার্টি থেকে বহিষ্কারের পর থেকেই এই প্রশ্ন উঠেছে। বিসিবি সভাপতি আগেই জানিয়েছেন, যে পর্যন্ত আদালতে লোকমান হোসেন দোষী প্রমাণিত না হবেন তিনি স্বপদেই বহাল থাকবেন। গতকাল বিসিবির মিডিয়া বিভাগের চেয়ারম্যান জালাল ইউনুসও একই কথা জানান। তিনি বলেন, ‘এই বিষয়ে (লোকমান ভূঁইয়া ইস্যু) সভাপতি কিছুদিন আগেই আপনাদের ক্লিয়ার করে দিয়েছেন। যদি উনি দোষী সাব্যস্ত হন তাহলে বোর্ড থেকেও ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
অন্যদিকে লোকমান ইস্যুতে বিসিবির পরবর্তী বোর্ড সভাতে আলোচনা হবে বলেও জানিয়েছেন মিডিয়া বিভাগের চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস। তিনি বলেন, ‘আমরা অপেক্ষা করছি আর সিদ্ধান্ত নিতে হলে এটা বোর্ডে আলোচনা করতে হবে। পরবর্তী বোর্ড সভাতে আমরা এটা নিয়ে আলাপ করতে পারি।’ জানা গেছে, বিসিবির গঠনতন্ত্রের কারণেই লোকমান হোসেনকে বহিষ্কার করা সম্ভব নয়। তবে তাকে বর্তমান ফেসালিটিজ বিভাগের চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরিয়ে দেয়া সম্ভব। হতে পারে পরবর্তী বোর্ড সভাতে তাকে পদচ্যুত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হতে পারে।
প্রশ্ন উঠেছে কেন বিসিবি’র পরিচালক পদ থেকে থেকে লোকমান হোসেন ভূঁইয়াকে এখনই বহিষ্কার সম্ভব হচ্ছে না? নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিসিবি’র আরেক পরিচালক বলেন, ‘বিসিবি’র গঠনতন্ত্রে লেখা আছে নির্বাচিত কাউন্সিলর বা বিসিবি পরিচালক তার মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত বহাল থাকবেন যদি না তিনি মৃত্যুবরণ করেন, বা মানসিক বিকারগ্রস্ত, কিংবা ফৌজদারি অবরাধে দণ্ডিত ও দোষী সাব্যস্ত না হন। এখন বিসিবি যে বিষয়টা করতে পারে তাকে বিভিন্ন কমিটিতে রাখা হয়েছে সেখান থেকে তাকে অপসারণ করতে পারে। তবে পরিচালক পদ থেকে বহিষ্কার করতে হলে অবশ্য তার দোষ প্রমাণ হতে হবে আদালতে।’ বিসিবির সব শেষ নির্বাচন হয়েছে ২০১৮তে। তাই বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হবে চার বছর পর। তার মানে ২০২২ সালে। এই সময়ের মধ্যে লোকমান হোসেনের অপরাধ প্রমাণ হলে, তার শাস্তি হলে বিসিবি পরিচালক পদ থেকে বহিষ্কার সম্ভব। শুধু তাই নয়, লোকমান হোসেনের মামলা যেহেতু রাষ্ট্রপক্ষের দায়েরকৃত এবং দেশের প্রচলিত আইনেই এর বিচার হবে, তাই এ বিচারের পর আর তেমন কিছু করতে হবে না বিসিবিকে। অপরাধী প্রমাণিত হলে বিসিবির আচরণবিধিতে উল্লেখিত নিয়ম অনুসারে ব্যবস্থা হবে তার বিরুদ্ধে।
বিসিবির বেশির ভাগ পরিচালক লোকমানকে নিয়ে মুখ খুলতে নারাজ। তবে বিসিবির আরেক পরিচালক আহমেদ সাজ্জাদুল আলম ববি বলেন, ‘বিসিবি একটি প্রতিষ্ঠান। অবশ্যই নিয়ম ও গঠনতন্ত্রের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। তার (লোকমান) বিষয়ে কি সিদ্ধান্ত নিতে হবে তা নিয়ে আমি এককভাবে বলতে পারি না। বিসিবি’র নীতিগত সিদ্ধান্তের বিষয়ে বলতে পারেন সিইও অথবা বোর্ড সভাপতি। পরিচালককে বহিষ্কার করতে হলে কী নিয়ম আছে সেগুলো তারা ভালো বলতে পারবে।’

সূত্রঃ মানবজমিন

Print Friendly, PDF & Email