Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!
 #  জামালপুরে দীপ্ত টিভির বর্ষপূতি উদযাপন #  ঘুঙ্গিয়ারগাঁও বাজার ব্যবসায়ী কমিটি নির্বাচন সম্পন্ন ॥ মহিতোষ সভাপতি , সুবির সম্পাদক #  বাস ধর্মঘটে অচল দেশের বিভিন্ন জেলা #  বানিয়াচংয়ে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান ॥ ৬ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা #  নবীনগরে আশ্রীতা জান্নাত পেল মাথা গোঁজার ঠাই #  নবীনগরে ৭১ গণ-কবরের স্মৃতি অনির্বাণ উদ্বোধন #  আমিরাতের শ্রমবাজার খুলে দেয়ার ইঙ্গিত #  নবীগঞ্জে এমপি মিলাদ গাজীকে সংবর্ধনা #  বরগুনায় র‌্যাবের অভিযানে কারেন্ট জাল জব্দ

ফেরাউনের পাসপোর্ট

74617540_10157643261083665_8564166128253796352_o

Eliza’s Travel Diary, Cairo,Egypt   থেকে নেয়াঃ

পৃথিবীর একমাত্র মৃত ব্যক্তি, যার পাসপোর্ট আছে। তিনি হলেন মিশরের ফারাও দ্বিতীয় রামেসিস।

মিশরের সবচেয়ে ক্ষমতাধর ফেরাউন দ্বিতীয় রামেসিস। তিনি ৬৭ বছর মিশরের শাসক ছিলেন। তার সময়ে মিশর সবচেয়ে সমৃদ্ধ ছিল।

ফেরাউনের মৃত্যুর সময় তাদের মমির সাথে প্রচুর ধন সম্পদ রেখে দেওয়া হতো, কারন প্রাচীন মিশরীয়রা বিশ্বাস করতো মৃত্যুর পর রাজারা মৃতদের রাজা হিসেবে আবার জীবন পায়। এসব ধন সম্পদ চুরি করতে অনেকেই পিরামিড হানা দিত।

তাই দ্বিতীয় রামেসিসের মমি রাখা হয় ” এল বাহারী ” নামক এক পাহাড়ের গোপন কুঠুরিতে। ১৮৮১ সালে এক রাখাল বালক প্রথম এই গোপন গুহার সন্ধান পায়। সেখানে আরও ৫০টি মমি পাওয়া যায়৷

উদ্ধারের সময় দ্বিতীয় রামেসিসের মমি একদম অক্ষত ছিল। ৩০০০ বছরে তার মাথার চুলও নস্ট হয়নি। উদ্ধারের পর সেটি কায়রো মিউজিয়ামে রাখা হয়। সেখানে আদ্রতার কারনে ১০০ বছর পর তার মমিতে পচন ধরে। সে সময় শুধু ফ্রান্সে মমি পুনুরুদ্ধারের কাজ হতো।

ফ্রান্সের নিয়ম অনুসারে জীবিত বা মৃত যে কেউ ফ্রান্সে প্রবেশ করতে চাইলে তার পাসপোর্ট প্রয়োজন হতো। তাই মিশরীয় সরকার বাধ্য হয়ে ৩০০০ বছর আগে মৃত ফেরাউনের পাসপোর্ট তৈরী করে। পাসপোর্টে তার জন্ম তারিখ লেখা হয় খ্রীস্টপূর্ব ১৩০৩ সাল, পেশা উল্লেখ করা হয় রাজা।

রামেসিসকে বহনকারি বিমান প্যারিসে অবতরন করলে তাকে রাস্ট্রীয় সফরে আসা যে কোন রাজার মতই পুর্ন সামরিক অভিবাদন জানানো হয়।

ফলে দ্বিতীয় রামেসিসই একমাত্র ফেরাউন যার পাসপোর্ট আছে এবং অন্য কোন দেশের সামরিক মর্যাদা পেয়েছেন।

প্রতিদিন কায়রো মিউজিয়ামে অসংখ্য দেশ বিদেশের পর্যটকরা দ্বিতীয় রামেসিসকে দেখতে আসে। তবে সেই মমির রুমে ছবি তোলা সম্পুর্ন নিষিদ্ধ।

আমি অনেক রিকুয়েস্ট করে একটা ছবি তুলতে পেরেছি। কারন গার্ড আমাকে বলছিল সিসি ক্যামেরায় কেউ দেখলে তার চাকরী থাকবে না। তাই সেই গার্ড আমাকে একবার একটা ক্লিক করার অনুমতি দেয়। অন্য আর একটি রুমে ৩য় ও চতুর্থ রামেসিসের মমি আছে সেখানেও খুব রিকুয়েষ্ট করে ২টি ছবি তুলেছি।

রামেসিসের সম্পর্কে সব তথ্য কায়রো মিউজিয়াম থেকে আর আমার গাইড হালার কাছ থেকে নেওয়া। পাসপোর্টের ছবি গুগল থেকে নেয়া।

হালার সম্পর্কে পরে লিখবো।

Print Friendly, PDF & Email