#  মানুষের দুর্ভোগে অযথা দাম বাড়িয়ে মুনাফা নেয়া অমানবিক : প্রধানমন্ত্রী #  করোনা পরিস্থিতি এখন বেশি ভয়ঙ্কর : মির্জা ফখরুল #  দেশে আরো দুজন করোনায় আক্রান্ত #  নবীগঞ্জে রামদা চাইনিজ কুড়ালসহ ৩ ডাকাত গ্রেফতার #  নবীগঞ্জের শ্রীমতপুর গ্রামে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাড়ীঘরে হামলা #  নবীগঞ্জে ত্রাণবিতরনে উপজেলা প্রশাসনকে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আর্থিক সহযোগীতা #  লকডাউনই আমাদেরকে করোনা ভাইরাসের সংক্রমন থেকে রক্ষা করতে পারে : এমপি মজিদ খাঁন #  বানিয়াচংয়ে প্রশাসন ও সেনাবাহিনীর যৌথঅভিযান ॥ ৭ জনকে অর্থদন্ড #  বানিয়াচংয়ে প্রশাসনের উদ্যোগে ত্রাণ বিতরণ #  করোনা: ক্ষতি পোষাতে তামাকপণ্যের দাম বাড়ান জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে আত্মা’র তামাক-কর ও দাম বৃদ্ধি বিষয়ক বাজেট প্রস্তাব #  করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় বানিয়াচংয়ে প্রশাসনের উদ্যোগে এমপি মজিদ খানের ত্রাণ বিতরণ #  আজমিরীগঞ্জে প্রশাসন ও সেনাবাহিনীর সমন্বয়ে টাস্কফোর্সের অভিযান #  করোনা পরিস্তিতে শাল্লায় চলছে মডেল মসজিদ নির্মান,অনিয়মের অভিযোগ #  করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে শাল্লায় সেনাবাহিনীর টহল #  নবীগঞ্জে করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে এএসপির অভিযান #  বানিয়াচংয়ে করোনা প্রতিরোধে করনীয় বিষয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রচারণা

বানিয়াচংয়ের হাওরে কৃষিশ্রমে পুরুষের সাথে সমানতালে কাজ করছেন নারী শ্রমিকরা

Baniyachong pic222

বাংলা কণ্ঠ রিপোর্ট ॥ হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার হাওরে কৃষি কাজে পুরুষের পাশাপাশি শ্রম দিচ্ছেন নারীরা। নারী শ্রমিকদের কাজে কৃষকগন যেমন সন্তুষ্ট হচ্ছেন তেমনি নারী শ্রমিকরাও উপরি ঠাকা রোজগার করে সংসারের দারিদ্র্যতা দূর করে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করছেন। কবে কখন থেকে হাওরে নারীরা শ্রম দিচ্ছেন তা সঠিক দিনক্ষন বলা না গেলেও এটা বলা যায় যে সময়ের প্রয়োজনে অনেক অনেক কাল আগ থেকেই নারীরা হাওরে শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন। এতে কোন সময় কোন প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়নি। হাওরে বোরো মেীসুমের শুরু থেকে মৌসুমের শেষ পর্যন্ত কৃষিশ্রমের কাজ থাকে। তারপর বর্ষাকালে মূলত কোন কাজ থাকে না। হাওরে কৃষিশ্রমে বিশেষ করে বোরো মৌসুমের শুরুতে শ্রমিক সংকট হয় না মূলত নারীরা শ্রম দেওয়ার কারনে।
হাওরে নারী শ্রমিকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা সংসারের সবকাজ শেষ করে ঘর থেকে বের হন। সারাদিন হাওরে শ্রম দিয়ে দিনশেষে আবার টাকা নিয়ে ঘরে ফিরে রান্না ও সংসারের যাবতীয় কাজ করছেন। এত কোন সমস্যা হচ্ছেনা।
সরেজমিনে বানিয়াচংয়ের হারুনী বোরো হাওরে কথা হয় মহিলা শ্রমিকদের সাথে।
এসময় বোরো ধানের চারা তোলার কাজ করছিলেন জল্পনা দাশ(৪২),পাতলক্ষী দাশ(৭০),দয়াময়ী দাশ(৪৫),নমিতা দাশ(৩৮),সাধবী দাশ(৫০),রাধারানী দাশ(৮০)। তারা সবাই এসেছেন পাশ^বর্তী গ্রাম থেকে।
রাধারানী দাশ(৮০)  এর সাথে আলাপকালে জানান,এই বয়সে কাজ করে খেতে হয়। কারন আমরা গরীব মানুষ। ছেলের সংসারে থাকি কিছু উপরি উপার্জন করে দিতে পারলে ছেলে ও ছেলের বউ খুবই খুশি হয়।
জল্পনা দাশ(৪২) জানান, খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠে রান্ন করে স্বামী সন্তানদেরকে ভাত খাওয়াইয়া তারপর হাওরে কাজ করতে এসেছেন।
সকাল নয়টা থেকে কাজ করে বিকাল ৩টায় বাড়িত যাব। মুজুরী দুই থেকে আড়াইশ টাকা।
পাতলক্ষী দাশ(৭০) জানান,একটা বয়¯ক ভাতার কার্ড থাকলে হয়তোবা হাওরে কাজ করা লাগত না।
সাধবী দাশ(৫০)জানান, আমরা অনেক বছর যাবৎ হাওরে কাজ করতে আসি। আমাদের কাজ করতে কোন সমস্যা হয় না।
এব্যাপারে কৃষক সুন্দর আলী জানান, মহিলা দিয়ে কাজ করালে শান্তি পাওয়া যায়। মহিলারা ফাকিঝুকি কম করেন। তারা সময়মতো কাজে আসেন এবং সময়মতো কাজ শেষ করেন। তাদেরকে পুরুষ শ্রমিক থেকে বেতন কিছু কম দিলেও সমস্যা হয়না।

Print Friendly, PDF & Email