Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!
 #  বিশেষ সুবিধায় খেলাপি ঋণ নবায়ন আবেদনের সময় বাড়ছে #  অনুমতি না পাওয়ায় ভোলায় আজকের সমাবেশ স্থগিত #  ভোলায় নিহত ৪, পরিস্থিতি এখনো থমথমে #  প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আন্দোলন : কঠোর অবস্থানে মন্ত্রণালয় #  ভোলার ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন ও পুলিশের বক্তব্য #  ঢাবি অ্যালামনাই এসোসিয়েশনে কেন যেতেন জি কে শামীম #  পদ হারালেন ওমর ফারুক #  ডিআইজি প্রিজন বজলুর রশীদ কারাগারে #  গণভবনে প্রবেশের সুযোগ পাননি যুবলীগের শীর্ষ ৪ নেতা #  ভাঙ্গা ঘরে চাদের আলো মাহেন্দ্র চালকের মেয়ে ‘কনা’ পেয়েছেন মেডিকেলে ভর্তির সুযোগ

বানিয়াচঙ্গে জায়গার দখলকে কেন্দ্র করে দু’গ্রামবাসীর সংঘর্ষ ॥ পুলিশসহ আহত অর্ধ শতাধিক

cleash

মখলিছ মিয়া ॥ বানিয়াচঙ্গে জায়গার দখল নেয়াকে কেন্দ্র করে দু’গ্রামবাসীর সংঘর্ষে আহত অর্ধশতাধিক। গুরুতর আহত অবস্থায় টেটাবিদ্ধ ৪ জনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে। সংঘর্ষ থামাতে পুলিশের শর্টগান ও টিয়ারসেল নিক্ষেপ। ঘটনাটি ঘটেছে ১৫ আগষ্ট বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় ৬নং কাগাপাশা ইউনিয়নের বাগহাতা গ্রামে। এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, কাগাপাশা ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান এরশাদ আলীর চাচাতো ভাই লিয়াকত আলী আনন্দ বাজারের সন্নিকটে কিছু জায়গা ক্রয় করে মোকাম হাটির মৃত সুরুজ এর ছেলে এশাদ আলীর কাছ থেকে। গতকাল সকালে ক্রয়কৃত জায়গাটি দখল নিতে যায় লিয়াকত আলীগংরা। এসময় সাবেক চেয়ারম্যান মোতালিফ মিয়ার পক্ষের আলতাব আলী ক্রয়কৃত ভূমি দখল নিতে বাঁধা দেয়। আলতাব আলী কারন হিসেবে জানায় ওই জমি নিয়ে আদালতে মামলা রয়েছে। মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এ জায়গা লিয়াকত আলীকে দখল নিতে দেয়া হবে না। এ নিয়ে লিয়াকত আলী এবং আলতাব আলীগংদের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্য্যায়ে সংঘর্ষের রূপ নেয়। উভয়পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে প্রায় ৪ঘন্টাব্যাপী সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। খবর পেয়ে বানিয়াচং থানার অফিসার ইনচার্জ রাশেদ মোবারক এর নেতৃত্বে বিপূল সংখ্যক পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। এসময় পুলিশ সংঘর্ষ থামাতে ৪৮ রাউন্ড শর্টগান ও ৭ রাউন্ড টিয়ারসেল নিক্ষেপ করেছে। সংঘর্ষ থামাতে পুলিশের এসআই আমিনুল হক চৌধুরী, এ,এসআই সামছুউদ্দিন, কনঃ নুরু, মোতালেব, কবির এবং আরিফ আহত হয়েছে। এদিকে গুরুতর টেটাবিদ্ধ অবস্থায় উভয়গ্রামের মরম আলী (২৭), আব্দুল বাছির(৪২), মোস্তাহার (১৯) এবং আজমান(৩২)কে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে। অন্য আহত জাকির মিয়া, রবিউল, আলামিন, ইব্রাহিম, মনিরসহ অন্তত ৪০জন হবিগঞ্জ আধুনিক হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। সংঘর্ষে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে বেশ কয়েকজন আটক করেছে। এ বিষয়ে অফিসার ইনচার্জ রাশেদ মোবারক এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, সংঘর্ষের খবর পাওয়া মাত্রই বিপূল সংখ্যক পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌছায় ভয়াবহ রক্তপাত থেকে গ্রামবাসী রক্ষা পেয়েছে। এ সংঘর্ষের সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে বলেও তিনি এ প্রতিনিধিকে জানান।

Print Friendly, PDF & Email