#  ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে অবদান রাখার আহ্বান রাষ্ট্রপতির #  নবীনগর ঋষিপাড়ায় নির্মাণাধীন সরকারি বাসগৃহ পরিদর্শনে ইউএনও #  শাল্লায় দায়সাড়া ভাবে চলছে কোটি টাকার কাজ #  শাল্লায় এখনো শুরু হয়নি ফসলরক্ষা অধিকাংশ বাঁধের কাজ #  নতুন ভাইরাসে চতুর্থ ব্যক্তির মৃত্যু নিশ্চিত করলো চীন #  মেলান্দহে ইউনিয়ন পরিষদের ভবন উদ্বোধন #  নবীগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা গিরীন্দ্র চন্দ্র দাশের পরলোক গমন রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদান #  নবীনগরে কৃষিজমি রক্ষায় ড্রেজার ধ্বংস #  ইবিতে ছাত্রলীগের ২ গ্রুপে সংঘর্ষ, সম্পাদকসহ আহত ২০ #  সংবাদপত্র ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া অবাধ স্বাধীনতা ভোগ করছে : সংসদে তথ্যমন্ত্রী #  নবীনগরে এম এ খায়ের বারীর ৪র্থ মৃত্যু বার্ষিকী পালন #  নরসিংদীতে গ্রাহক সেবায় পল্লী বিদ্যুতের উঠান বৈঠক #  নবীনগরে অটোরিক্সার হাইড্রোলিক হর্ণ নিষিদ্ধ #  বানিয়াচং উপজেলা ছাত্রলীগর কমিটি ঘোষনা : মামুন সভাপতি, পুলক সম্পাদক #  এক বছরে ৩৮ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ডিজিটাল আইনে মামলা #  প্রথম আলো সম্পাদকের আগাম জামিন, অন্য ৫ জনকে হয়রানি না করার নির্দেশ #  বানিয়াচংয়ে পুলিশের অভিযানে পরোয়ানাভূক্ত ৫ আসামী গ্রেফতার

বানিয়াচঙ্গে ট্রেন দূর্ঘটনায় নিহত হত দরিদ্র আল আমীনের পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন জেলা প্রশাসক

BANIACHONG PIC 19

মখলিছ মিয়া ॥ এক মাস বয়সি এক নবজাতকসহ তিন শিশু সন্তানকে নিয়ে বিপাকে পড়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রেন দূর্ঘটনায় নিহত আল আমীনের স্ত্রী। তিন শিশু সন্তানকে নিয়ে মানবেতন জীবন কাটাচ্ছেন নিহত আল আমীনের স্ত্রী। সন্তানদের মধ্যে এক মাস বয়সীও এক শিশু রয়েছে তার। অনাহার-অর্ধাহারে কাটছে তাদের দিন। জেলা প্রশাসন থেকে পাওয়া ১৫ হাজার টাকা শেষ হয়ে যাওয়ার পর প্রতিবেশিদের দয়ার উপর নির্ভর করে বেঁচে আছেন ৪ সদস্যের এই পরিবারটি। এ বিষয়টি নজরে আসে হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসকের। এ অবস্থায় অসহায় পরিবারটির পাশে দাঁড়ালেন হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান। ২৫ নভেম্বর সোমবার তার পক্ষে বানিয়াচং উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ মতিউর রহমান খান স্থানীয় বাজার থেকে চাল, ডাল, তেল, লবণ সহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য ক্রয় করে তার সাথে নগদ কছিু র্অথ নিহত আল আমীনের স্ত্রী ফুলবানু এর কাছে হস্তান্তর করেন। এসময় জেলা প্রশাসকের নির্দেশক্রমে ফুলবানু এর কাছ থেকে জেলা প্রশাসক বরাবর আর্থিক সাহায্যের একটি আবেদন গ্রহন করা হয়, যার মাধ্যমে ফুলবানু ও তার পরবিাররে জন্য জেলা প্রশাসক সাহায্যরে ব্যবস্থা করবেন। ইতিপূর্বেও জেলা প্রশাসকের পক্ষে থেকে নিহত আল আমীনের পরিবারকে ১৫ হাজার টাকার আর্থিক সহযোগিতা করা হয়েছে। এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ মতিউর রহমান খান বলেন, সকালে জেলা প্রশাসক মহোদয় ফোন করে দ্রুত সময়ের মধ্যে ওই অসহায় পরিবারটির জন্য প্রয়োজনীয় বাজার সদাই করে তাদের কাছে নিয়ে যাওয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন। সে মোতাবেক আমি নিজে সেখানে উপস্থিত হয়ে বাজার সদাই করে ওই পরিবারটির কাছে দিয়ে আসি। সাথে কিছু নগদ অর্থও প্রদান করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও আরো সহায়তা দেয়া হবে বলেও তিনি জানান। উল্লেখ্য, আল আমীন (৩০) হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার কাগাপাশা ইউনিয়নের গুণই গ্রামের আয়ুব হোসেনের ছেলে। তিন সন্তানের জনক আল আমীন ছিলেন পেশায় একজন রাজমিস্ত্রী। দুটি শিশু কন্যা ও স্ত্রীকে নিয়ে অভাব-অনটনে দিন কাটে তার। পৈত্রিক সম্পত্তি বলতে একটি বাড়ি ছাড়া আর কিছুই নেই। এলাকায় কাজ না থাকায় অভাবের তাড়নায় আল আমীন চট্টগ্রামে রাজমিস্ত্রীর কাজ করেন। তার ৯ বছর ও ৬ বছর বয়সি দুটি কন্যা সন্তান রয়েছে। দূর্ঘটনার দুই সপ্তাহ আগে আল আমীনের একটি পুত্র সন্তান জন্ম নেয়। তাকে দেখা জন্য আল আমীন চট্টগ্রাম থেকে গ্রামের বাড়ি বানিয়াচং আসেন। সেখানে সপ্তাহখানেক থাকার পর ফের তিনি কর্মস্থলে রওনা দেন। ১২ নভেম্বর দূর্ঘটনার রাত সাড়ে ১২টায় শায়েস্তাগঞ্জ থেকে ‘উদয়ন এক্সপ্রেস’ ট্রেনে ওঠেন আল আমীন। রাত ৩টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় ভয়াবহ ট্রেন দূর্ঘটনায় তিনি নিহত হন।

Print Friendly, PDF & Email