Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!
 #  বিশেষ সুবিধায় খেলাপি ঋণ নবায়ন আবেদনের সময় বাড়ছে #  অনুমতি না পাওয়ায় ভোলায় আজকের সমাবেশ স্থগিত #  ভোলায় নিহত ৪, পরিস্থিতি এখনো থমথমে #  প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আন্দোলন : কঠোর অবস্থানে মন্ত্রণালয় #  ভোলার ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন ও পুলিশের বক্তব্য #  ঢাবি অ্যালামনাই এসোসিয়েশনে কেন যেতেন জি কে শামীম #  পদ হারালেন ওমর ফারুক #  ডিআইজি প্রিজন বজলুর রশীদ কারাগারে #  গণভবনে প্রবেশের সুযোগ পাননি যুবলীগের শীর্ষ ৪ নেতা #  ভাঙ্গা ঘরে চাদের আলো মাহেন্দ্র চালকের মেয়ে ‘কনা’ পেয়েছেন মেডিকেলে ভর্তির সুযোগ

বুধবার থেকে ২২ দিন ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ

elish

বাংলা কন্ঠ ডেস্কঃ বুধবার থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত ২২দিন ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ করেছে সরকার। এই সময়ে ইলিশের আহরণ, পরিবহন, মজুত, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় নিষিদ্ধ থাকবে। এই সময়ে ৮০ শতাংশ মা ইলিশ ডিম পাড়ে। এসব মা ইলিশ মূলত মিঠাপানিতে ডিম পাড়ে।

তাই আশ্বিনের পূর্ণিমার চারদিন আগে এবং পরের ১৮দিন মোট ২২দিন দেশের উপকূলীয় অঞ্চল, নদীর মোহনাসহ যেসব জেলা ও নদীতে ইলিশ পাওয়া যায়, সেখানে ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান খসরু।

তিনি বলেন, এ মুহূর্তে ইলিশ রফতানি করার চিন্তা সরকারের নেই। আগে দেশের মানুষের চাহিদা মিটিয়ে উদ্বৃত্ত হলে রফতানির কথা চিন্তা করব।

সোমবার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ইলিশের প্রধান প্রজনন মওসুমে ‘মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান ২০১৯’ উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন । এ সময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব মো. রইছউল আলম মন্ডলসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার উপস্থিত ছিলেন।

নিষেধাজ্ঞার কারণ ব্যাখ্যা করে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, প্রধানত আশ্বিনের পূর্ণিমার চারদিন আগে এবং পূর্ণিমার পর ১৮দিন পর্যন্ত সময় মা ইলিশ ডিম ছাড়ে। এই ২২দিন উপকূলীয় অঞ্চল, নদীর মোহনাসহ যেসব জেলা ও নদীতে ইলিশ পাওয়া যায়, অর্থাৎ ইলিশের অভয়ারণ্য এলাকায় ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

ইলিশ আহরণ ২২ দিন নিষিদ্ধকরণের ফলে বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত তথ্যমতে, গত বছর প্রায় ৪৮ শতাংশ মা ইলিশ ডিম ছাড়তে সক্ষম হচ্ছে।

তিনি বলেন, ইলিশের প্রজননকালে অভিযান সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। মাছ ধরায় বিধিনিষেধের ফলে ইলিশ মাছের উৎপাদন দ্বিগুণ হয়েছে। মৎস্য খাতের অনেক পরিবর্তন হয়েছে। ইলিশ মাছের যে আকাল ছিল, এখন আর তা নেই।

৩৬টি জেলার সকল নদ-নদীতে দিনে ও রাতে অভিযান এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্থানীয় জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, কোস্টগার্ড, র‌্যাব, পুলিশ, নৌ-পুলিশ এবং মৎস্য অধিদফতর সম্মিলিতভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালত ও অভিযান পরিচালনা করবে।

তিনি বলেন, এই ২২ দিন মাঠপর্যায়ে অভিযানে সহায়তা প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট উপজেলায় অতিরিক্ত ৪৭জন কর্মকর্তাকে সাময়িকভাবে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এছাড়া ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবকে আহ্বায়ক করে সহযোগী সকল সংস্থার প্রতিনিধিকে অন্তর্ভুক্ত করে একটি জাতীয় মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে।

এ সময় ইলিশ ধরার ওপর নির্ভরশীল জেলেদের খাদ্য সহযোগিতা দেয়া হবে জানিয়ে মৎস্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, চলতি বছর ইতোমধ্যে মা-ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ হওয়ার আগেই দেশের ইলিশসমৃদ্ধ ৩৫ জেলার ১৪৭ উপজেলায় মোট চার লাখ আট হাজার ৩২৯টি জেলে পরিবারকে ২০ কেজি হারে মোট আট হাজার ১৬৭ টন খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

Print Friendly, PDF & Email