#  ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে অবদান রাখার আহ্বান রাষ্ট্রপতির #  নবীনগর ঋষিপাড়ায় নির্মাণাধীন সরকারি বাসগৃহ পরিদর্শনে ইউএনও #  শাল্লায় দায়সাড়া ভাবে চলছে কোটি টাকার কাজ #  শাল্লায় এখনো শুরু হয়নি ফসলরক্ষা অধিকাংশ বাঁধের কাজ #  নতুন ভাইরাসে চতুর্থ ব্যক্তির মৃত্যু নিশ্চিত করলো চীন #  মেলান্দহে ইউনিয়ন পরিষদের ভবন উদ্বোধন #  নবীগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা গিরীন্দ্র চন্দ্র দাশের পরলোক গমন রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদান #  নবীনগরে কৃষিজমি রক্ষায় ড্রেজার ধ্বংস #  ইবিতে ছাত্রলীগের ২ গ্রুপে সংঘর্ষ, সম্পাদকসহ আহত ২০ #  সংবাদপত্র ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া অবাধ স্বাধীনতা ভোগ করছে : সংসদে তথ্যমন্ত্রী #  নবীনগরে এম এ খায়ের বারীর ৪র্থ মৃত্যু বার্ষিকী পালন #  নরসিংদীতে গ্রাহক সেবায় পল্লী বিদ্যুতের উঠান বৈঠক #  নবীনগরে অটোরিক্সার হাইড্রোলিক হর্ণ নিষিদ্ধ #  বানিয়াচং উপজেলা ছাত্রলীগর কমিটি ঘোষনা : মামুন সভাপতি, পুলক সম্পাদক #  এক বছরে ৩৮ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ডিজিটাল আইনে মামলা #  প্রথম আলো সম্পাদকের আগাম জামিন, অন্য ৫ জনকে হয়রানি না করার নির্দেশ #  বানিয়াচংয়ে পুলিশের অভিযানে পরোয়ানাভূক্ত ৫ আসামী গ্রেফতার

হবিগঞ্জের শেখ হাসিনা মেডিক্যাল কলেজে দুর্নীতি তদন্তে নামছে দুদক

Habiganj-pic

এম এ মজিদ ॥ হবিগঞ্জ শেখ হাসিনা মেডিক্যাল কলেজের সরঞ্জামাদি ক্রয়ে ১৪ কোটি টাকা দুর্নীতিতে জড়িত থাকার অভিযোগে কলেজের অধ্যক্ষ ডাক্তার মো: আবু সুফিয়ান ও দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির সদস্য সচিব ডাক্তার নাসিমা খানমসহ জড়িতদেরকে দুদকের তদন্তের আওতায় আনা হচ্ছে। এ সংক্রান্তএকটি প্রস্তাবনা দুদক চেয়ারম্যান বরাবরে প্রেরণ করা হয়েছে বলে একটি সূত্রে জানা গেছে।

২০১৭-১৮ সনের অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বইপত্র, সাময়িকী, যন্ত্রপাতি অন্যান্য সরঞ্জমাদি ক্রয়ে দরপত্র আহ্বান করে ২০১৮ সালের ১৭ মে প্রয়োজনীয় পণ্যের শিডিউল দাখিল করতে বলা হয়। ১৫ কোটি ৫০ লাখ টাকার টেন্ডারে বইপত্র সাময়িকী, কম্পিউটার প্রিন্টারসহ অন্যান্য জিনিসপত্র কেনা হয় ১৪ কোটি ৪৯ লাখ ৭৮ হাজার ৮৫৭ টাকার। ২১ হাজার ১৪৩ টাকা ফেরত দেয়া হয় সরকারকে।
বাজারের ৪২ হাজার টাকার কম্পিউটারের ক্রয় মূল্য ধরা হয়েছে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৫০০ টাকা, একইভাবে ৬০ হাজার টাকা মূল্যের এইচপি কালার প্রিন্টারের মূল্য ২ লাখ ৪৮ হাজার ৯০০ টাকা, কনফারেন্স রুমর একেকটি চেয়ারের মূল্য ধরা হয়েছে ১ লাখ ২২ হাজার ৪০০ টাকা করে। ৫০ জন বসার একটি কনফারেন্স রুমে প্রতি জনের জন্য এ টাকা খরচ দেখানো হয়েছে। একই খাতে পুনরায় প্রতি জনের পিছনে ব্যয় দেখানো হয়েছে ২১ হাজার ৯০০ টাকা করে। নিম্নমানের বুক সেলফের মূল্য ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা, ২৫টি স্টিল র্যাকের মূল্য ধরা হয়েছে ১৩ লাখ ৯৭ হাজার টাকা,

মানবদেহের প্লাস্টিকের প্রতিটি অঙ্গ প্রত্যঙ্গের মূল্য ধরা হয়েছে প্রায় ১ লাখ টাকা করে, ২ ভলিয়ম সেট বইয়ের মূল্য ধরা হয়েছে ৭০ হাজার ৫৫০ টাকা, ১ লাখ টাকা মূল্যের কার্লজিস প্রিমো স্টার বাইনোকুলার মাইক্রোস্কোপ এর মূল্য ধরা হয়েছে ৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা করে, ওয়ালটনের ৩৯ হাজার ৩২৫ টাকা মূল্যের একেকটি ফ্রিজের মূল্য ধরা হয়েছে ১ লাখ ৬৮ হাজার টাকা দরে। বাজারের ১ লাখ ৩৮ হাজার টাকা মূল্যের স্টারবোর্ড কেনা হয়েছে ১৫ লাখ ৩৫ হাজার টাকায়। ৪০ হাজার টাকা মূল্যের ডিজিটাল ওজন মাপার যন্ত্র কেনা হয়েছে ৬ লাখ ৪০ হাজার টাকায়। এভাবে ১৪ কোটি টাকা ভাগবাটোয়ারার বিষয়টি মিডিয়ায় আসলে তদন্তের দাবি জানানো হয় বিভিন্ন ফোরাম থেকে। বিচারের দাবিতে হবিগঞ্জে মানববন্ধন করা হয়েছে।

বিষয়টি দুদক চেয়ারম্যানের নজরে আনা হয়েছে বলে একটি সূত্র জানায়। এ ব্যাপারে শীঘ্রই তদন্ত কাজ শুরু হতে পারে বলে জানা গেছে। এ ব্যাপারে কলেজের অধ্যক্ষ ডাক্তার মো: আবু সুফিয়ান এক বিবৃতিতে সকলের সহযোগিতা কামনা ছাড়া কোনো বক্তব্য প্রদান করেননি। আর দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির সদস্য সচিব ডাক্তার নাসিমা খানম জানিয়েছেন- তিনি কোনো দুর্নীতির দায় নেবেন না। কারণ তিনি শুধু স্বাক্ষর করা ছাড়া কিছুই জানেন না।

Print Friendly, PDF & Email