Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!
 #  পুষ্টি উন্নয়নে আমাদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে : আল-আমিন চৌধুরী #  অস্ট্রেলিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত #  ৭ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী #  বিটিআরসি-অপারেটর দ্বন্দ্বে গ্রাহক সেবায় ভোগান্তি আর্থিক ক্ষতিতে কোম্পানিগুলো #  রাষ্ট্রায়ত্ত ৬ ব্যাংকে খেলাপি ঋণ ৫২,৬১২ কোটি টাকা #  সংসদে রাঙাকে তুলাধুনা, বহিস্কারের দাবি #  ট্রেন দুর্ঘটনায় বানিয়াচঙ্গের ২জন নিহতের ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন এমপি মজিদ খান #  অভিভাবকরা সচেতন হলে পড়ালেখার মান আরো বৃদ্ধি পাবে বানিয়াচংয়ে অভিভাবক সমাবেশে ইউএনও- মামুন খন্দকার #  ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রেন দুর্ঘটনায় হবিগঞ্জের নিহত ৭ ॥ আহত ১৯ #  আগামী সপ্তাহে খালেদা জিয়ার সাথে সাক্ষাৎ হতে পারে ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের

হিন্দু কমে ৯০ ভাগ থেকে ৭৩! ধর্মান্তর নিষিদ্ধ হচ্ছে ভারতে?

india

রাজ্যসভায় পর্যাপ্ত সংখ্যা না থাকা সত্ত্বেও বিরোধী শিবিরে ভাঙন ধরিয়ে অনায়াসে তিন তালাক বিল আর কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহার ও রাজ্য পুনর্গঠন বিল দু’টি পাশ করিয়ে নিয়েছে ভারতের মোদি সরকার। সেই সাফল্যে উজ্জীবিত হয়ে এ বার ধর্মান্তরকরণ বিরোধী আইন আনার পরিকল্পনা নিয়েছে তারা। মূলত হিন্দুদের ধর্মান্তর রোখা ও ‘লাভ জেহাদ’-এর মতো ঘটনা আটকাতেই ওই বিল আনতে চাওয়া হচ্ছে। যা সঙ্ঘ পরিবারের দীর্ঘদিনের দাবি।

সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে বিলটি আনার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। সরকারের শীর্ষ সূত্র শনিবার বলেছে, এখনো জোর করে, প্রলোভন দেখিয়ে ধর্মান্তরণ ঘটে চলেছে। আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় যার সংখ্যা খুব বেশি। বিজেপির নেতাদের একাংশের দাবি, ভালোবাসার নামেও পরিকল্পিত ভাবে হিন্দু মেয়েদের ধর্ম পরিবর্তন করা হচ্ছে। সেটাকেই ‘লাভ জেহাদ’ বলছেন তারা। যদিও বিরোধীদের দাবি, এক জন প্রাপ্তবয়স্ক কোনো ধর্মে বিয়ে করবেন বা কোনো ধর্ম গ্রহণ করবেন, সেটা তার মৌলিক অধিকার। তৃণমূলের এক নেতার কথায়, ‘‘বিলটি না আসা পর্যন্ত কিছু বলা সম্ভব নয়। তবে বোঝাই যাচ্ছে নির্দিষ্ট একটি ভোটব্যাঙ্ককে বার্তা দেয়াই লক্ষ্য।’’

বিজেপির দাবি, স্বাধীনতার সময়ে দেশে ৯০% হিন্দু ছিল। এখন তা ৭২-৭৩%। যদিও জনগণনার নথি বলছে ১৯৫১ সালে এ দেশে হিন্দুর সংখ্যা ছিল ৮৪%। ২০১১ সালে তা কমে হয়েছে ৭৯.৮০%। পরিবার পরিকল্পনাই যার মূল কারণ বলে মনে করেন বিরোধীরা। বিজেপির অবশ্য বক্তব্য, ধর্ম পরিবর্তনও সমানভাবে দায়ী। মোদি সরকারের প্রথম পর্বে তাই ‘ঘর ওয়াপসি’ প্রকল্প হাতে নিয়েছিল গেরুয়া শিবির। বিরোধীরা অভিযোগ করেছিলেন, যখন কোনো হিন্দু অন্য ধর্ম গ্রহণ করছেন, তাকে বলা হচ্ছে ধর্মান্তরণ। কিন্তু সঙ্ঘ পরিবার যখন কাউকে হিন্দুধর্মের ছাতায় নিয়ে আসছে, তখন তা ঘর ওয়াপসি!
এ বার ধর্মান্তরণ পাকাপাকি রুখতেই বিল আনার কথা ভাবনা। অখিল ভারতীয় সন্ত সমিতির কর্তা স্বামী জিতেন্দ্রানন্দ সরস্বতী বলেন, ‘‘আমরা চাই সরকার দ্রুত আইন করুক। হিন্দু সমাজের স্বার্থেই তা প্রয়োজন।’’
সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

Print Friendly, PDF & Email