#  ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে অবদান রাখার আহ্বান রাষ্ট্রপতির #  নবীনগর ঋষিপাড়ায় নির্মাণাধীন সরকারি বাসগৃহ পরিদর্শনে ইউএনও #  শাল্লায় দায়সাড়া ভাবে চলছে কোটি টাকার কাজ #  শাল্লায় এখনো শুরু হয়নি ফসলরক্ষা অধিকাংশ বাঁধের কাজ #  নতুন ভাইরাসে চতুর্থ ব্যক্তির মৃত্যু নিশ্চিত করলো চীন #  মেলান্দহে ইউনিয়ন পরিষদের ভবন উদ্বোধন #  নবীগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা গিরীন্দ্র চন্দ্র দাশের পরলোক গমন রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদান #  নবীনগরে কৃষিজমি রক্ষায় ড্রেজার ধ্বংস #  ইবিতে ছাত্রলীগের ২ গ্রুপে সংঘর্ষ, সম্পাদকসহ আহত ২০ #  সংবাদপত্র ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া অবাধ স্বাধীনতা ভোগ করছে : সংসদে তথ্যমন্ত্রী #  নবীনগরে এম এ খায়ের বারীর ৪র্থ মৃত্যু বার্ষিকী পালন #  নরসিংদীতে গ্রাহক সেবায় পল্লী বিদ্যুতের উঠান বৈঠক #  নবীনগরে অটোরিক্সার হাইড্রোলিক হর্ণ নিষিদ্ধ #  বানিয়াচং উপজেলা ছাত্রলীগর কমিটি ঘোষনা : মামুন সভাপতি, পুলক সম্পাদক #  এক বছরে ৩৮ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ডিজিটাল আইনে মামলা #  প্রথম আলো সম্পাদকের আগাম জামিন, অন্য ৫ জনকে হয়রানি না করার নির্দেশ #  বানিয়াচংয়ে পুলিশের অভিযানে পরোয়ানাভূক্ত ৫ আসামী গ্রেফতার

২৬ ডিসেম্বর বিরল সূর্যগ্রহণ

ring

বাংলা কন্ঠ ডেস্কঃ ১৭২ বছর পর এক বিরল সূর্যগ্রহণ দেখবে বিশ্ব। ২৬ ডিসেম্বর এই সূর্যগ্রহণ সংঘটিত হবে। এ সময় সূর্যের চারপাশে থাকবে আগুনের বলয়। বিজ্ঞানীরা যাকে বলেন ‘রিং অব ফায়ার’।

মহাকাশ বিজ্ঞানীরা জানান, আড়াই ঘণ্টা ধরে চলবে এই মহাজাগতিক দৃশ্য। সূর্যের ৯০ শতাংশের বেশি ঢেকে ফেলবে চাঁদ, যা খালি চোখেই অবলোকন করতে পারবেন পৃথিবীবাসী। ইউরোপ, এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, পূর্ব আফ্রিকার দেশগুলো থেকে দেখা যাবে এই সূর্যগ্রহণ। তবে এই দৃশ্যটি সবচেয়ে ভালো দেখা যাবে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে।

২০১৯ সালের শেষ সূর্যগ্রহণ হবে এটি। এ বছরের ৬ জানুয়ারি ও ২ জুলাই অন্য দুটি সূর্যগ্রহণ হয়েছিল। সেগুলো উপমহাদেশীয় অঞ্চলের মানুষের দৃষ্টিগোচর হয়নি।

ব্যাবিলনীয় সভ্যতা থেকে পরিচিতি পায় সূর্যগ্রহণ। চাঁদ যখন পরিভ্রমণরত অবস্থায় কিছু সময়ের জন্য পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে এসে পড়ে, তখন পৃথিবীর কোন দর্শকের কাছে কিছু সময়ের জন্য সূর্য আংশিক বা সম্পূর্ণরূপে অদৃশ্য হয়ে যায়। এই ঘটনাকে সূর্যগ্রহণ বলা হয়। তবে আমাবশ্যার পরে নতুন চাঁদ উঠার সময় এ ঘটনা বেশি ঘটে। পৃথিবীতে প্রতিবছর অন্তত দুই থেকে পাচঁটি সূর্যগ্রহণ পরিলক্ষিত হয়। এর মধ্যে দুইটি সূর্যগ্রহণ পূর্ণ সূর্যগ্রহণে রূপ নেয়।

পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণে হঠাৎ দিনের বেলা রাতের অন্ধকার নেমে আসে এবং চারপাশের প্রাকৃতিক পরিবেশে হঠাৎ একটা পরিবর্তন আসে। পাখিরা সন্ধ্যার আভাস পেয়ে ফিরে যেতে থাকে বনে, বাতাস স্থির হয়ে যায় এবং হঠাৎ তাপমাত্রা কমতে থাকে।

বৈজ্ঞানিকরা বলছেন, চন্দ্রগ্রহণের চেয়ে সূর্যগ্রহণ বেশিবার হয়। প্রতি সাতটি গ্রহণের মধ্যে সূর্যগ্রহণ ও চন্দ্রগ্রহণের অনুপাত ৫:২ বা ৪:৩। তবে অধিকাংশ সূর্যগ্রহণ সমুদ্রপৃষ্ঠে বা পর্বতমালার ওপর দিয়ে গেলে নজড়ে পড়ে না।

Print Friendly, PDF & Email