বানিয়াচংয়ে স্বেচ্চাসেকলীগ নেতার হাতে ২ ইউপি সদস্যকে লাঞ্চিত

বানিয়াচং(হবিগঞ্জ)প্রতিনিধি ॥  বানিয়াচং উপজেলা সেচ্চাসেবকলীগ নেতা আশরাফ চৌধুরী বাবু একের পর এক ঘটনা ঘঠিয়ে দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠছে।

ভুক্ত ভোগীরা বিভিন্ন সময় লাঞ্চিত ও আহত হয়ে কোন প্রতিকার না পাওয়ায় তার এহেন সন্ত্রাসী কার্যকলাপ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়,  রবিবার বিকাল ৩টার সময় বানিয়াচং ১নং উত্তর পূর্ব ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে ইউপি সদস্য মোবারক মিয়াকে লাঞ্চিতর ঘটনায় সালিস বৈঠক বসে।

উক্ত সালিস বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ১নং উত্তর পূর্ব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন ও ইউপি সদস্য বৃন্দ।

৩ মে ১নং ইউপির ৬নং ওয়ার্ডের সদস্য মোবারক মিয়াকে উপজেলা পরিষদ মাঠে ঐ কথিত সেচ্ছাসেবকলীগ নেতা প্রকাশ্যে দিবালোকে লাঞ্চিত করেছিলো।

ঐ ঘটনা নিষ্পত্তির জন্য উপজেলা চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে সালিশ বসে ছিলো। সালিশের রায়ে মোবারক মিয়ার কাছে মাফ চেয়ে পার পেয়ে যায়।

সালিশ শেষ করে উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন পরিষদ থেকে চলে যাওয়ার পরপরই ৮নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মিজানুর রহমানের সাথে ঐ স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা তর্কে লিপ্ত হয়।

এবং একই কায়দায় উক্ত ইউপি চেয়ারম্যান ও সকল সদস্য বৃন্দের সামনে ঐ স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা আশরাফ চৌধুরী বাবু মিজান মেম্বারের উপর হামলা চালিয়ে শারীরিক ভাবে লাঞ্চিত করেছে।

এ ঘটনার আকস্মিকতায় মিজান মেম্বারের সকল সহকর্মী বৃন্দ হতবাক হয়ে পড়েন।

মিজান মেম্বারের পক্ষ নিয়ে কোন সহকর্মী এগিয়ে না আসলেও একজন মহিলা ইউপি সদস্য এ ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে নিজের পায়ের জুতা ঐ স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতার দিকে ছুড়ে মারেন।

পরবর্তীতে ঐ মহিলা সদস্যের উপর সেচ্ছাসেবক নেতা নিজে এবং তার দুই ভাই ও ভাগনে হামলা চালিয়েছে আহত করেছে।

এ ঘটনার প্রতিবাদে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোন মামলা দায়ের করা হয় নি।

তবে সকল ইউপি সদস্য বৃন্দ স্থানীয় সাংসদ সদস্য এডভোকেট আব্দুল মজিদ খানের নিকট বিচার প্রার্থী হয়েছেন বলে, একজন ইউপি সদস্য জানিয়েছেন।

এব্যাপারে হবিগঞ্জ জেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সৈয়দ কামরুল হাসানের সাথে আলাপ কালে তিনি বলেন, আমরার কাছে এব্যাপারে কেউ অভিযোগ করে নাই।

এব্যাপারে ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, আমিও আমার সহকর্মীর উপর নেক্কারজনক হামলার উপযুক্ত বিচার চাই।

এব্যাপারে ১নং উত্তর পূর্ব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গিয়াসউদ্দিন মিয়ার সাথে আলাপ কালে তিনি বলেন, সকল ইউপি সদস্যগণ তারা কি পদক্ষেপ নিয়েছেন আমার জানা নেই। তবে ইউনিয়ন পরিষদ বর্জনের বিষয়টি (সোমবার) সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *