নিলুফা ভিলার দুই নারী ‘জঙ্গির’ আত্মসমর্পণ

আর এর মধ্যে দিয়ে কোনো রক্তপাত ছাড়াই দীর্ঘ ৪১ ঘণ্টার স্নায়ুক্ষয়ী অপেক্ষার অবসান ঘটল।

বুধবার বেলা পৌনে ৩টার দিকে কালো বোরখা পরা ওই দুই নারীকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঘেরাওয়ের মধ্যে পুলিশের একটি বিশেষায়িত অ্যাম্বুলেন্সে তোলা হয়। সে সময় তাদের মাথায় হেলমেট পরানো ছিল।

অভিযানে থাকা একজন পুলিশ কর্মকর্তা

বলেন, সাত তলা ওই ভবনের পঞ্চম তলায় একটি কক্ষের দেয়াল ভেঙে তারা প্রবেশ করেন। পরে সেখানে ওই দুই নারী আত্মসমর্পণে রাজি হন।

এর আগে বেলা পৌনে ১২টার দিকে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) প্রধান মনিরুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেছিলেন, চূড়ান্ত অভিযানের আগে সন্দেহভাজন জঙ্গিদের আত্মসমর্পণে বাধ্য করার সব ধরনের চেষ্টা তারা করবেন। যদি তাদের রাজি করানো না যায়, কেবল তখনই সোয়াট অভিযান শুরু করবে।

মাধবদীর সাত তলা ওই বাড়ি থেকে মোটামুটি দুই কিলোমিটার দূরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশে মেহেরপাড়া ইউনিয়নের ভগীরথপুরে পাঁচ তলা একটি বাড়িতে মঙ্গলবার সোয়াটের অভিযানে গোলাগুলি ও বিস্ফোরণের মধ্যে দুইজন নিহত হন। তাদের একজন নারী, একজন পুরুষ।

জঙ্গিদের অবস্থানের খবর পেয়ে কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট ও পুলিশ সদরদপ্তরের ল ফুল ইন্টারসেপশন সেলের (এলআইসি) সদস্যরা সোমবার রাত ৯টার দিকে ওই দুই বাড়ি ঘিরে ফেলে।

মঙ্গলবার বিকালে ভগীরথপুরের অভিযান শেষে মনিরুল সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘নমুনা’ দেখে নিহতরা ‘নব্য জেএমবির’ সদস্য বলে তার মনে হয়েছে।

“ওখানে তারা চারটি বোমা তৈরি করে রেখেছিল। তো থেকেই আমরা বুঝতে পারি যে তাদের কোনো পরিকল্পনা ছিল। কোনো বড় ধরনের নাশকতার প্রস্তুতি তাদের ছিল।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *