বানিয়াচং প্রেসক্লাবের উদ্যোগে বধ্যভূমি পরিদর্শন, আনন্দ ভ্রমন ও মাস্ক বিতরণ

শেখ জোবায়ের আহমদ,বানিয়াচং(হবিগঞ্জ) ॥ বানিয়াচং উপজেলা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে মাকালকান্দি বধ্যভূমি পরিদর্শন,আনন্দ ভ্রমন, নৌ-বিহার, মাস্ক বিতরণ, সাতার প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। পৃথিবীতে ছুটিহীন যে ক’টি পেশা রয়েছে তার মধ্যে সাংবাদিকতা বোধহয় শীর্ষে।

বর্তমান অনলাইন যুগের এই ‘ছুটিহীন’ ব্যাপারটি আরো পোক্ত হয়েছে। কারণ এখন প্রায় সংবাদ মাধ্যমই প্রিন্টের পাশাপাশি অনলাইন নির্ভর হয়েছে। ফলে এখন একজন সাংবাদিককে দিনের বেশীরভাগ সময়ই দায়িত্ব পালন করতে হয়। এর মধ্যে অনলাইন পোর্টালের সাংবাদিক হলে তা কতটা সিরিয়াস তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তারপরও মিলে না ছুটি! তবে সাংবাদিকেরাওতো রক্তে-মাংসে গড়া মানুষ।

অন্য পেশার মানুষেরাতো প্রায় সময়ই এদিক-ওদিক বেড়ায়। তা দেখে সাংবাদিকদের মন চায় বছরের একটা সময়ে হলেও দূরে অথবা কাছে কোথাও ঘুরে আসতে। তাইতো ছুটে চলা অপরূপ সৌন্দর্য্যের লীলাভূমি লক্ষীবাওর জলাবন ও ১৯৭১ সালে পাকসেনাদের হাতে মাকালকান্দি গ্রামের গণহত্যায় মৃত্যুবরণ কারীদের স্মরনে স্থাপিত মাকালকান্দি স্মৃতিসৌধ পরিদর্শন ও হাওড় ভ্রমন করেছেন সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।

এছাড়া সচেতনতা সৃষ্টিতে করোনা দূর্যোগে স্থানীয় আদর্শবাজার ও মাকালকান্দি গ্রামের লোকজনের মাঝে মাস্ক বিতরণ করা হয়েছে।

বানিয়াচং উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম খোকন’র সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক কামরুল হাসান কাজল’র পরিচালনায় সাংবাদিকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি ও রত্না উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এম এ তাহের সহ-সভাপতি এডভোকেট ইস্পাহানী, সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম সেলিম, ইয়াসিন আরাফাত মিল্টন, জহিরুল ইসলাম নাসিম, মখলিছুর রহমান বাচ্চু, উমর ফারুক শাবুল, মাওলানা বদরুল আলম আনসারী, এস এম খলিলুর রহমান রাজু, আরিফুল রেজা, শেখ হুমায়ুন আহমদ,শাহিন মিয়া,ইবাদুল বিশ্বাস,তাফসির আহমদ প্রমুখ।

সাংবাদিক উমর ফারুক শাবুল, এস এম খলিলুর রহমান রাজু, আরিফুল রেজা ও শাহিন মিয়াসহ ৪সদস্য বিশিষ্ঠ আয়োজক কমিটির সার্বিক তত্বাবধানে আনন্দগণ পরিবেশে ভ্রমনের স্বাদ গ্রহন করেন সাংবাদিকগন।
১৮ জুলাই শনিবার সকালে উপজেলা সদরের স্থানীয় আদর্শবাজারস্থ নৌকাঘাট থেকে যাত্রা করা হয়।

দিন ব্যাপি কর্মসূচীর মধ্যে ছিল পত্রিকার ভূমিকা ‘শীর্ষক আলোচনা সভা, দর্শনীয় বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন, মাস্ক বিতরণ, সাতার প্রতিযোগিতা, পুরস্কার বিতরণ ও সকাল ও দুপুরের ভোজন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *